মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

ডলুরা শহীদ মিনার

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের পর অনেকেই ঢাকা ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য গ্রামে চলে আসেন। অনেকেই সীমান্ত পার হয়ে শরণার্থী শিবিরে চলে যান। আবার অনেকই ভারত থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে এসে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। সুনামগঞ্জের শহরের কাছেই ডলুরা, মূলত গারো অধ্যুষিত গ্রাম, সীমান্তবর্তী হওয়ায় এই এলাকা দিয়ে প্রচুর লোকজন ভারতে গমন করতে থাকেন। ফলে পাকবাহিনী সুরমা নদীর তীরে ক্যাম্প করে ভারতে লোকজনের গমন প্রতিরোধ করতে থাকে। এক পর্যায়ে ডলুরা এলাকায় পাকিস্তানীদের সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মুখযুদ্ধ শুরু হয়। শহীদ হন অনেকে। এই সমাধিতে যারা শায়িত আছেন তাদের অনেকের নাম জানা যায় নি। নাম জানা ৪৮জনের নাম ফলকে লিপিবদ্ধ আছে।

১৯৭৪ সালে ৮২ফুট দৈর্ঘ্য ৮১ফুট প্রশস্থ ও ৫ফুট উঁচু চতুর্দিক ঘেরা একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়। পরবর্তীতে এটিকে কমপ্লেক্স করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সেই উদ্দ্যেশ্যে এখানে একটি ছোট্ট রেস্টহাউস, মুক্তিযোদ্ধা ভাস্কর্য তৈরি করা হয়েছে। দর্শনার্থীদের জন্য এটি উন্মুক্ত রয়েছে। প্রতিবছর স্বাধীনতা ও বিজয় দিবসের আগের দিন সরকারীভাবে আলোচনা অনুষ্ঠান ও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। শহর থেকে নদীঘাট পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের যানে যাওয়া যাবে। নদী খেয়ায় পার হয়ে ওপার থেকে মটরসাইকলে বা ইজি বাইকে ১০ কিমি দূরত্বের ডলুরাতে সহজে যাওয়া যাবে।